রবিবার, ১৯ Jul ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
এপস্টিনের সঙ্গে ইসরায়েলি ডিপ স্টেট ও মার্কিন গোয়েন্দাদের যোগসূত্র ছিল : ভ্যান্স যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে পাকিস্তানের জড়িয়ে পড়ার শঙ্কা হামলার শঙ্কায় কুয়েতে ফ্লাইটের সময়সূচি পরিবর্তন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-মহাসড়ক দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ অর্থ পাচার না হলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অনেক সমস্যা সমাধান হয়ে যেত : প্রধানমন্ত্রী ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, ৮ অঞ্চলের নদীবন্দরে সতর্কতা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ভাতা বেড়েছে চার ক্যাটাগরি মুক্তিযোদ্ধাদের বিমানের বহরে যুক্ত হবে বোয়িং ও এয়ারবাস মন্ত্রিসভায় ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত

পদ্মার ভাঙনে বিলীনের পথে চর খিদিরপুর

রাজশাহীর পবা উপজেলার চর খিদিরপুর গ্রাম। পদ্মার ভাঙা-গড়ার মতোই এ গ্রামের মানুষের জীবন। নদী ভাঙনে ভিটে-মাটি হারানো এসব মানুষের জীবন সংগ্রাম যে কাউকেই করবে বেদনাহত। জীবনের মৌলিক চাহিদার কিছুই মেলেনা তাদের। কখনো করেন কৃষি কাজ, কখনো মাছ ধরে চলে জীবিকার যুদ্ধ। শহরে আসতে হলে এই গ্রামবাসীর যোগাযোগের একমাত্র বাহন নৌকা বা ট্রলার।

৩৫ বছরের জীবনে চারবারের মত বসত নির্মাণ করেছেন আমিনুল ইসলাম। প্রতিবার বাড়িঘর কেড়ে নিয়েছে সর্বগ্রাসী পদ্মা। পৈত্রিক ভিটা হারিয়ে এবার ঘর উঠছে ভাড়া জমিতে।

পদ্মার সর্বগ্রাসী ভাঙনে চর খিদিরপুর এসে ঠেকেছে খানপুর গ্রামে। খিদিরপুরের ১১টি মৌজার ১০টিই বিলীন পদ্মার গর্ভে। অবশিষ্ট ভূমিও ভারতের সীমান্ত ছুঁইছুঁই।  ভাঙন থেকে রক্ষা পাওয়া জমিতে আবাদ করেই জীবিকা হয় এই গ্রামের বেশিরভাগ মানুষের। পাশাপাশি তারা ধরে মাছ। তবুও তিনবেলার আহার যোগাতেই হিমশিম।

গ্রামবাসীর যোগাযোগের একমাত্র বাহন নৌকা বা ট্রলার। তাও পাওয়া যায় না সব সময়। নেই শিক্ষা, চিকিৎসার মত মৌলিক নাগরিক অধিকার। তবুও আশায় বাঁচে জীবন।  নেই স্বপ্ন-সাধ। চাওয়া শুধু নদীভাঙন রোধ ও ন্যূনতম নাগরিক সুবিধা।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com